পোস্টগুলি

জৈন্তাপুরে লাল শাপলার বিলে

ছবি
জৈন্তাপুরে লাল শাপলার  বিলে পর্যটকদের_ঢল! ! সিলেট-এর জৈন্তাপুর উপজেলার ডিবির হাওর, ইয়াম বিল,যাদু কাটা,হরফ কাটা সহ কয়েকটি বিল নিয়ে এই এলাকা লাল শাপলার বিল নামে পরিচিত। শীতের আগমণের সাথে সাথে প্রকৃতির অপরূপ সাজে সেজেছে লাল শাপলার ইয়াম বিল।যেন ফুলে ফুলে সাজানো আসমান জমিনের বিছানো চাদর। ব্রিটিশ শাসিত ভারত উপমহাদেশের শেষ স্বাধীন রাজ্য জৈন্তাপুর। শ্রীহট্ট তথা ভারত বর্ষের অধিকাংশ এলাকা যখন মোগল সাম্রাজ্যভূক্ত ছিলো, তখনও জৈন্তিয়া তার পৃথক ঐতিহ্য রক্ষা করে আসছিল। তার প্রায় ৩৫ বছর স্বাধীন রাজ্য ছিলে।হিন্দু সম্প্রদায়ের মহাভারত ও রামায়নে জৈন্তিয়া রাজ্যের কথা উল্লেখ্য রয়েছে। ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দ রাজা রামসিংহের শাসনকালে জৈন্তিয়ায় খনিজ সম্পদে ভরপুর ছিল। বর্তমানেও রয়েছে। রাজা রামসিংহ ১৭৭৮ সালে ঢুপী গ্রামে নামেশ্বর শিব মন্দির স্থাপন করেন। ১৮৩৫ সালের ১৬ মার্চ হ্যারি নামক ইংরেজ নাবিক রাজা রাজেন্দ্র শিংহকে কৌশলে বন্ধি করে বহু মূল্যবান সম্পদ লুঠ করে নেয়। ডিবির হাওড় রাজা রামসিংহের স্মৃতি বিজড়িত সমাধীস্থল সংলগ্নই লাল শাপলার বিল। এ বিলের পারে রামসিংহকে সমাধি করা হয়েছে। ইয়াম বিল ছাড়াও এখানে রয়েছে লাল ...

রুবিক’স কিউব মেলানোর নিঞ্জা টেকনিক

ছবি
  বাজারে অনেক ধরণের রুবিক’স কিউব আছে ( 2X2X2, 3X3X3, 4X4X4, 5X5X5 এবং আরো অনেক )।   বেসিক রুবিক’স কিউব ( 3X3X3 ) যেভবে মেলাতে হয়, তা নিয়ে এই লিখা বেসিক ১ কিউবের বেসিক জানা থাকলে এটি মেলানো অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। তাই চলুন কিউবের সাধারণ কিছু বিষয় জেনে আসি – আপনার কিউবে  ৬টি রঙ  রয়েছে। Layer:  কিউবে  তিনটি   লেয়ার  আছে। প্রথম লেয়ার, দ্বিতীয় লেয়ার এবং তৃতীয় লেয়ার । Center:  প্রতিটি রঙের মাঝখানের বর্গটি’তে কেবল একটি মাত্র রঙ থাকে, যা লেয়ার থেকে আলাদা করা যায় না। একে মূলত  Center  বলা হয়। Corner:  রুবিক’স কিউবের কোনায় যে  ৩টি রঙ  একত্রিত হয়, তাকে ‘কর্ণার’ বলে। Edge:  সেন্টার এবং কর্ণারের মাঝখানে যে  ২টি রঙের  কিউব আছে, তাকে ‘এজ’ বলে।

লাইলাতুল কদর বা শবে কদর কবে বা কখন, এবং লাইলাতুল কদরের বিশেষ আমল

ছবি
আমাদের সামাজে "লাইলাতুল কদর বা শবে কদর" ২৭ রমজানেই পালন বা আদায় করা হয়। আমি আমাদের এই সংস্কৃতির সাথে এক নই। যেখানে আমাদের আলেম সামাজ মানহান, ভিন্ন, দল, গোত্র নিয়ে ব্যাস্ত, একে অন্যের পক্ষে যুক্তি এবং নিজেদের সঠিক প্রমান করাই উদ্দশ্য, সেই তারাও এ মহামুল্যবান রজনির ইবাদত নিয়ে উদাসীন। মহামুল্যবান রজনির ইবাদতের কথা, সাধারন মুসল্লিদের জানাচ্ছেন না অথবা সঠিক ধারনাও দিচ্ছেন না। যেখানে রাসুল সোঃ জানতেন রমজানের শেষ দশকে "লাইলাতুল কদর বা শবে কদর " কিন্তু কবে তার নিদৃষ্ট দিন তাকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। রাসুল সোঃ, সাহাবায়ে কেরাম এমন কি বর্তমান আরব দেশগুলাও রমজানের শেষ দশকে "লাইলাতুল কদর বা শবে কদর " এর সালাত আদায় করেন, ইবাদত বন্দেগি করেন। সেখানে আমরা কি করে সিয়র হলাম যে ২৭ রমজানই হল "লাইলাতুল কদর বা শবে কদর" ? এটা কি রাসুল সোঃ এর সুন্নাহ বিরোধী নয়?? হাদীসে উল্লেখ আছেঃ মূসা (রহঃ), আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু সায়িদ খুদরি (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আমাদের খেজুর বাগানে চলুন, (হাদিস সংক্রান্ত) আলাপ আলোচনা করব। তিনি বেরিয়ে আসলেন। আবু সা...

২৩ ঘণ্টা রোজা রাখেন এই দেশের মু'সলমানরা!

ধৈর্য ও সহিঞ্চুতার বারতা নিয়ে রমজান আসে। পানাহার ও যৌ'নাচার বর্জনের এই পরীক্ষায় সবার ক'ষ্ট এক রকম হয় না। কোনো কোনো দেশের মানুষ ১০ ঘন্টারও কম রোজা রাখেন, আবার কোনো কোনো দেশের রোজাদারেরা রোজা রাখেন দীর্ঘ ২৩ ঘন্টা! যু'ক্তরাজ্য, রাশিয়া, ডেনমা'র্ক, বেলারুশ, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, কাজাকিস্তান, বেলজিয়াম, চেক রিপাবলিক, অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরিতে রোজা রাখার সময় প্রায় ১৯ ঘণ্টা। আবার মাত্র ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট রোজা রাখছেন আর্জেন্টিনার মু'সলিম বাসিন্দারা। এছাড়াও ১০ ঘণ্টা রোজা রাখছেন অস্ট্রেলিয়ার মু'সলিম'রা। ১১ঘণ্টার কাঁ'টায়ও রয়েছে সবচেয়ে কম সময় উপবাস থেকে রোজা রাখছেন আর্জেন্টিনার পার্শ্ববর্তী দেশ ব্রাজিল। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ৯-২১ ঘণ্টার মাঝামাঝিতেও পানাহার বর্জনের পরীক্ষা দেন অনেকেই। সে দেশগুলো হলো- মধ্যপ্রাচ্যের মিশরে প্রায় ১৬ ঘণ্টা, সৌদি আরব, সংযু'ক্ত আরব আমিরাত, ফিলি'স্তিন ও ইয়েমেনে ১৫ ঘণ্টা, কাতার ১৪ ঘণ্টা ৪০ মিনিট এবং কুয়েত, ই'রাক, জর্দান, আলজেরিয়া, ম'রক্কো, লিবিয়া ও সুদানে ১৪ ঘণ্টা। পাশাপাশি এশিয়ার পা'কিস্তানে প্রায় ১৫ ঘণ্...

নাজাতের বার্তাবাহী মাহে রমজান

ছবি
‘আহলান সাহলান মাহে রমাদান, সুস্বাগত রমাদান মাস।’ ‘হে আল্লাহ, রজব ও শাবান মাস আমাদের জন্য বরকতময় করুন এবং রমাদান আমাদের নসিব করুন!’ এই প্রার্থনা কবুল হলো। সুস্বাগত জানাচ্ছি মহিমান্বিত মাহে রমজানকে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন: যখন রমাদান মাস আসে, তখন জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়; শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়। (বুখারি, তৃতীয় খণ্ড হাদিস: ১,৭৭৮)। নাজাতের বার্তা নিয়ে এল মাহে রমজান। প্রিয় নবী (সা.) বলেন: রমজানের প্রথম অংশ রহমত বা দয়া, করুণা; মাঝের অংশ মাগফিরাত বা ক্ষমা; শেষাংশ নাজাত বা মুক্তি। (বায়হাকি শরিফ)। রহমতের বারিতে সিঞ্চিত হয়ে, ক্ষমার মহিমায় উদ্বেলিত নবজীবন লাভ করে, নাজাত তথা অনন্ত মুক্তির নবদিগন্তের জান্নাতি আহ্বানে অফুরান কল্যাণের পথে অভিযাত্রার সুবর্ণ সুযোগ মাহে রমজান। ‘সওম’ শব্দটি আরবি, এর অর্থ বিরত থাকা; বহুবচন হলো ‘সিয়াম’। ফারসি, উর্দু, হিন্দি ও বাংলায় সওমকে ‘রোজা’ বলা হয়। কোরআন কারিমে এসেছে, ‘হে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের প্রতি “সিয়াম” ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য; যেন তোম...

মহানবী (সাঃ) যে খাবারগুলো খেতে খুব পছন্দ করতেন...?

ছবি
আমা'দের প্রিয়নবী হযরত মুহা'ম্ম'দ (সা:) .-এর পছন্দের ১২টি খাবার ও তার গু'ণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো। এসব খাবার প্রিয়নবী (সা.) আহার করতেন। দেড় হাজার বছর পর আজকের বিজ্ঞান গবেষণা করে দেখেছে নবীজী (সা.) এর বিভিন্ন খাবারের গু'ণাগু'ণ ও উপাদান অত্যন্ত যথাযথ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নবীজী (সা.) এর খাবারের মধ্যে রয়েছে বার্লি, খেজুর, ডুমুর, আঙ্গু'র, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি। এসব খাবারের গু'ণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো।] ১. বার্লি (জাউ) : এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী। ২. খেজুর : খেজুরের গু'ণাগু'ণ ও খাদ্যশক্তি অ’পরিসীম। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীল সতেজ রাখে। প্রিয়নবী (সা:) বলতেন, যে বাড়িতে খেজুর নেই সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। এমনকি প্রিয়নবী (সা:) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ৩. ডুমুর : ডুমুর অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগু'ণসম্পন্ন যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার। ৪. আঙ্গু'র : প্রিয়নবী (সা:) আঙ্গু'র খেতে অত্যন্ত ভালো বাসতে...

আজহারীর মাহফিলে নব্য-মুসলিম হওয়া, ১১ জনই অমুসলিম ছিলো

ছবি
মিজানুর রহমান আজহারীর মাহফিলে যে 11জন অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ করেছে এটা তাদের পাসপোর্ট প্রমাণ হয়েছে তারা অমুসলিম ছিলো! কিছু লোক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে,

কে এই মিজানুর রহমান আজহারী?

ছবি
তরুণদের আইডল, সুশিক্ষায় শিক্ষিত তরুণ বক্তা, ইসলামিক স্কলার মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। তিনি অল্প কয়েকদিনে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছেন। বর্তমানে যে ক’জন ইসলামি চিন্তাবিদ রয়েছেন, তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। জন্ম: মিজানুর রহমান ১৯৯০ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকার ডেমরায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লার মুরাদনগরের পরমতলা গ্রামে। তার বাবা একজন মাদরাসার শিক্ষক। তার পরিবারে মা-বাবা ও এক ভাই রয়েছে। শিক্ষাজীবন: মিজানুর রহমান ঢাকার ডেমরায় অবস্থিত দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা থেকে ২০০৪ সালে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ২০০৬ সালে আলিম পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ করেন। ২০০৭ সালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত মিসর সরকারের শিক্ষাবৃত্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে মিসরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডারগ্রাজুয়েট করার জন্য মিসরে যান। সেখান থেকে ডিপার্টমেন্ট অব তাফসির অ্যান্ড কুরআনিক সায়েন্স থেকে ২০১২ সালে শতকরা ৮০ ভাগ সিজিপিএ নিয়ে অনার্স উত্তীর্ণ হন। মিসরে পাঁচ বছর শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করার পর ২০১৩ সালে মালয়েশিয়া যান। সেখানে গার্...