পোস্টগুলি

2019 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সিলেট যেনো উত্তপ্ত কড়াই!

ছবি
৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস! সিলেট যেনো এক উত্তপ্ত কড়াই! এমনটি অনুভব হলো বুধবার সারাদিন। গরমে হাসফাঁস অবস্থা থেকে মুক্তি মিলবেনা বৃহস্পতিবারও। তবে শুক্রবার থেকে অবস্থা পাল্টাতে পারে বলে জানিয়েছেন সিলেটের আবহাওয়াবিদরা। জ্যৈষ্ঠের কাঠফাটা রোদের শেষে আষাঢ়ষ্য বরিষণ, এমনইতো আচরণ প্রকৃতির। বৃষ্টিধারায় রাস্তাঘাটতো ভেসেই যায়, অনেক সময় ভাসে ঘরবাড়িও। অন্যযেকোন বছরের এই সময়ে সুরমা-কুশিয়ারার দুইপার ডুবে যেতো বন্যার পানিতে। অথচ এবার এখনো, এই মধ্য আষাঢ়েও দুটি নদীর অর্ধেকও ডুবেনি। বৃষ্টি কম। শুধু সিলেট অঞ্চলেই নয়, এবার উজানে ভারতের আসাম এবং মণিপুর রাজ্যেও স্বাভাবিক বৃষ্টপাত হচ্ছেনা। ঐ রাজ্যগুলোতে গরম অত্যন্ত বেশী। গরম সিলেটেও। বৃষ্টিহীনতা বা অতি অল্প বৃষ্টির কারণে গত কয়েকদিন থেকে সিলেটে গরমে হাসফাঁস করছেন সাধারণ মানুষ। ঘরেবাইরে কোথাও নেই শান্তি ও স্বস্তি। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় সিলেট ও আশপাশ অঞ্চলের তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সারাদিনের গড় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রির কাছাকাছি। বুধবারের অবস্থা আরো খারাপ। সারাদিনের গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস! সর্বনি¤œ ২৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলস...

‘লাইলাতুল কদর’ যে কারণে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনী

ছবি
লাইলাতুল কদর মহিমান্বিত একটি রজনী। লাইলাতুল কদরের অন্য নাম শবে কদর। কদরের রাতে অজস্র ধারায় আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়। এ রাতে এত অধিকসংখ্যক রহমতের ফেরেশতা পৃথিবীতে অবতরণ করেন যে, সকাল না হওয়া পর্যন্ত এক অনন্য শান্তি বিরাজ করে পৃথিবীতে। মহান আল্লাহর ভাষায়-লাইলাতুল কদর হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। লাইলাতুল কদরের ফজিলত ও তাৎপর্য অপরিসীম। কোরআনুল কারীমে এরশাদ হয়েছে, ‘আমি একে নাযিল করেছি শবে কদরে। শবে কদর সম্পর্কে আপনি কি জানেন? শবে কদর হলো এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এতে প্রত্যেক কাজের জন্য ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে। এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। (সূরা আল কাদর : ১-৫)। কদর নামকরণের কারণ : যেহেতু এ রজনী অত্যন্ত মহিমান্বিত ও সম্মানিত তাই এ রজনীকে লাইলাতুল কদর বলা হয়ে থাকে। আবার এ রাত্রে যেহেতু পরবর্তী এক বৎসরের অবধারিত বিধিলিপি ফেরেশতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয় সে কারণেও এ রজনীকে কদরের রজনী বলা হয়। সূরা কদর অবতীর্ণ হওয়ার পটভূমি : ইবনে আবি হাতেম (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-একদা রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবিদের সম্মুখে বনী ইসরাঈলের জনৈক চারজ...

ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে রোজা

ছবি
রোজা হলো অটোফেজি, যা ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। মুসলিম সম্প্রদায়ে যা রোজা নামে পরিচিত তা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘অটোফেজি’। রোজার উপর গবেষণা করে জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি ২০১৬ সালে ‘অটোফেজি’ নামক একটি শারীরিক প্রক্রিয়ার আবিষ্কার করেন এবং নোবেল পুরস্কার পান। অটোফেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে। বাংলায় যার অর্থ হচ্ছে আত্মভক্ষণ বা নিজেকে খেয়ে ফেলা। উপবাসের সময় আমাদের শরীরের সক্রিয় কোষগুলো নিষ্ক্রিয় থাকে না। সক্রিয় কোষগুলো সারা বছরে তৈরি হওয়া ক্ষতিকারক আর নিষ্ক্রিয় কোষগুলোকে খেয়ে ফেলে শরীরকে নিরাপদ আর পরিষ্কার করে দেয়। এটাই ‘অটোফেজি’। অটোফেজি আবিষ্কারের পর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মের বা ধর্ম মানে না কিন্তু স্বাস্থ্য সচেতন এমন অনেক মানুষ সারা বছরে বিভিন্ন সময় ‘অটোফেজি’ করে শরীরকে সুস্থ রাখেন। অনেক ধরনের ক্যান্সারের জীবাণুও ‘অটোফেজি’তে মারা যায়! রোজা ছাড়াও ক্যান্সারের জীবাণু মারার ক্ষেত্রে বেইজিং সামরিক হাসপাতালের চিফ এক্সিকিউটিভ অধ্যাপক চেন হোরিন বলেন, ‘গরম পানির গ্লাসে লেবুর টুকরা আপনার বাকি জীবনের জন্য আপনাকে বাঁচাতে পারে। কেননা গরম লেবু ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলে।’ ...

রোযাদারকে ইফতার করানোর ফজিলত

ছবি
 রাসুলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, «مَنْ فَطَّرَ صَائِمًا كُتِبَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِهِ إِلَّا أَنَّهُ لَا يَنْقُصُ مِنْ أَجْرِ الصَّائِمِ شَيْء» ‘‘যে ব্যক্তি কোন রোযাদারকে ইফতার করায়, সে উক্ত রোযাদারের সাওয়াবের কোনরূপ ঘাটিত না করেই তার সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে।’’ (সুনান তিরমিযী, হাদীস নং ৮০৭ ও মুসনাদ আহমাদ, হাদীস নং ১৭০৩৩)

এস.এস.সি/দাখিল ও সমমান উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

ছবি
সুপ্রিয় বন্ধুরা, আসসালামু আলাইকুম। এস.এস.সি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় তোমরা আশানুরুপ ভাল ফলাফল লাভ করে মেধার সাক্ষর রাখায় তোমাদেরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। তোমরা প্রত্যাশিত ফল লাভ করে নিঃসন্দেহে নতুন ভুবন গড়ার প্রত্যয়ে বিভোর। তোমাদের কাঙ্খিত ফলাফলে তোমাদের মা-বাবা, শিক্ষকদের সাথে আমরাও আনন্দিত। সামনে তোমাদের ভর্তিযুদ্ধ, সেখানেও তোমরা ভাল ফলাফল করো, সুদূর মদীনা মুনাওয়ারায় বসে তোমাদের জন্য এই দোয়া করছি। তোমরা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে বিজয়ী হয়েছো। তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে আরো নতুন নতুন লড়াই। এ লড়াই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার, এ লড়াইয়ে তোমাকে জিততেই হবে। তুমি তোমার, তোমার পরিবারের, তুমি দেশের এবং তুমি সবার, এটা মনে রাখতে হবে। দেশ-জাতির চরম ক্রান্তিলগ্নে আজ সৎ ও দক্ষ নেতৃত্বের বড়ই অভাব, যার ফলে সর্বত্র বিরাজ করছে অশান্তি-অস্থিরতা, সংঘাত-সংঘর্ষ। সেই সৎ ও দক্ষ নেতৃত্বের অভাব তোমাদেরকেই পূরণ করতে হবে। ঝঞ্জাবিক্ষুব্ধ এ পৃথিবীতে নিজেকে সৎ ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলে দুনিয়া ও আখেরাতে সফল হওয়ার জন্য আল্লাহ তায়ালার বন্দেগীর বিকল্প কিছু...